Captionwale · বাংলায়
বাংলা সাবটাইটেল জেনারেটর — মুখে বলুন, লেখার ভার Captionwale-এর।
Reels বা Shorts স্ক্রল করার সময় বেশিরভাগ মানুষের ফোন থাকে মিউট। পর্দায় কোনো লেখা চোখে না পড়লে কেউ দাঁড়ায় না, এক টানে চলে যায় পরের ক্লিপে। Captionwale আপনার রেকর্ডিংয়ের বাংলা শুনে নেয়, তারপর একটা একটা শব্দ ঠিক যে মুহূর্তে বলা হয়েছে সেই মুহূর্তের ক্যাপশনে বসিয়ে দেয় — পুরো কাজটা হয় ব্রাউজারের ভেতরেই, আলাদা কিছু ইনস্টলের ঝামেলা ছাড়া।
আমাদের রোজকার বাংলায় ইংরেজি ঢুকে পড়ে আপনিই — “আজকের ভিডিওটা একদম লাস্ট পর্যন্ত দেখো”। যেসব ক্যাপশন টুল ইংরেজির কথা ভেবে বানানো, তারা এই খিচুড়ি ভাষায় প্রায়ই খেই হারায়। Captionwale যে স্পিচ মডেলে চলে, সেটা শেখানো হয়েছে ভারতীয় ভাষা দিয়ে; ফলে বাংলা-ইংরেজি মেশানো লাইনও ভেঙে টুকরো হয় না, গোটা বাক্য হিসেবেই লেখা হয়।
হাতে ফোন থাকুক বা ল্যাপটপ, Captionwale খোলে ব্রাউজারেই, তাই Google Play বা App Store ঘাঁটতে হয় না; ইচ্ছে হলে হোম স্ক্রিনে একটা অ্যাপের মতো আইকন বানিয়ে রাখুন। বাংলা-সহ সব মিলিয়ে 12টি ভাষার ক্যাপশন এখানে বানানো যায়।
কী কী থাকছে
লেখার রূপ তিনটে, সিদ্ধান্ত আপনার
ট্রান্সক্রিপশন চালু করার আগেই বেছে রাখুন ক্যাপশন কেমন দেখাবে: খাঁটি বাংলা হরফে, রোমান অক্ষরের Banglish-এ — Reels-এ যেমন অনেকে “kemon acho” লেখেন — নাকি সোজা ইংরেজি অনুবাদে।
শব্দে শব্দে সময়ের হিসেব
গোটা লাইনের একটা মোটা দাগের সময় নয়; প্রত্যেক শব্দের শুরু আর শেষ আলাদা করে ধরা থাকে। তাই মুখ থেকে শব্দটা বেরোনোর সঙ্গে সঙ্গেই সেটা পর্দায় ভেসে ওঠে।
ভুল শোধরাতে এক ট্যাপ
কারও নাম, কোনো ব্র্যান্ড বা পাড়ার চলতি বুলি ভুল লেখা হলে শব্দটায় ট্যাপ করে নতুন করে লিখে দিন। এমন সংশোধনে ট্রান্সক্রিপশনের মিনিট দ্বিতীয়বার কাটা যায় না।
বাংলা লিপির মাপে বাছাই করা ফন্ট
হাতে আছে 103টি স্টাইলের ভাণ্ডার, সঙ্গে বাংলার জন্য Noto Sans Bengali-র মোটা ওজন — এতে কার-চিহ্ন, মাত্রা বা যুক্তাক্ষর কোথাও ছেঁটে যায় না। চাইলে অ্যানিমেশন আর রংও রুচিমতো বদলান।
কাজটা হয় যেভাবে
STEP 01
ক্লিপটা তুলে দিন
ফোন বা কম্পিউটারে রাখা MP4 কিংবা MOV ফাইল বাছুন। ভাষার ঘরে বাংলা দিন, নয়তো ভাষা চেনার দায়িত্ব Captionwale-এর ওপর ছেড়ে দিন।
STEP 02
লিপি ঠিক করুন
তিনটের একটা: বাংলা হরফ, রোমান অক্ষরের Banglish, অথবা ইংরেজি অনুবাদ। এটা লেখা শুরুর আগেই বেছে নিতে হয়।
STEP 03
মিলিয়ে নিন, সাজিয়ে নিন
যে শব্দ খটকা লাগে পাল্টে দিন, তারপর পছন্দের স্টাইল, ফন্ট, রং আর অ্যানিমেশন লাগান।
STEP 04
ফাইল নামিয়ে নিন
ক্যাপশন জুড়ে দেওয়া MP4, সর্বোচ্চ 2K মানে, তৈরি হয় আপনার ব্রাউজারেই। পেইড প্ল্যানে সঙ্গে মেলে YouTube-এ তোলার উপযোগী SRT আর VTT ফাইল।
খরচাপাতি
বিনা খরচে শুরু করা যায়: মাসে 2 মিনিট পর্যন্ত ট্রান্সক্রিপশন, প্রতিটি ক্লিপ বড়জোর 60 সেকেন্ডের। এক্সপোর্টের কোনো সীমা নেই, কেবল ভিডিওর ওপর Captionwale-এর ছোট্ট একটা ব্যাজ বা ওয়াটারমার্ক থেকে যায়।
ওয়াটারমার্ক বাদ দিতে চাইলে পেইড প্ল্যানের দাম শুরু মাসে ₹399। স্টার্টার প্ল্যানে প্রতি মাসে মেলে 90 মিনিটের ট্রান্সক্রিপশন, 5 মিনিট অবধি লম্বা ক্লিপ, আর SRT/VTT ফাইল। কেবল একটা ভিডিওর ওয়াটারমার্ক তোলার খরচ ₹99। টাকা দেওয়া হয় রুপিতে, UPI মারফত; কার্ডের তথ্য কোথাও জমা থাকে না, আর অটো-রিনিউ যেদিন খুশি থামিয়ে দিতে পারেন।
আপনার প্রশ্ন, আমাদের উত্তর
ভিডিওতে বাংলা ক্যাপশন কিভাবে দেব, একদম গোড়া থেকে?
Captionwale-এর এডিটরে ঢুকে ভিডিওটা দিন, ভাষার ঘরে বাংলা বাছুন। একটু অপেক্ষা করলেই দেখবেন প্রতিটি শব্দ নিজের সময় মেনে ক্যাপশন হয়ে বসে গেছে। একবার চোখ বুলিয়ে ভুল থাকলে শুধরে নিন, স্টাইল দিন, তারপর MP4 নামিয়ে নিন। কোনো অ্যাপ নামাতে হয় না।
Captionwale ব্যবহার করতে কি পয়সা লাগে?
শুরু করতে লাগে না। ফ্রি প্ল্যানে প্রতি মাসে 2 মিনিটের ট্রান্সক্রিপশন পাওয়া যায়, এক্সপোর্ট অগুনতি; শুধু ভিডিওতে Captionwale-এর ব্যাজ থাকে। ব্যাজহীন এক্সপোর্টের জন্য পেইড প্ল্যান মাসে ₹399 থেকে।
কথার মাঝে ইংরেজি এসে পড়লে ক্যাপশন ঠিক থাকবে তো?
থাকবে। ভারতীয় ভাষায় তালিম পাওয়া মডেল বাংলা লাইনের ভেতরে আসা ইংরেজি শব্দকে সেই বাক্যেরই অংশ বলে চেনে। লেখা বাংলা হরফে হবে নাকি “cholo shuru kori”-র মতো Banglish-এ, সেটা আপনার পছন্দ। কোনো শব্দ বেখাপ্পা লাগলে এডিটরেই বদলে ফেলুন।
বাংলায় বলা ভিডিওতে ইংরেজি সাবটাইটেল বসানো যাবে?
যাবে। লিপি বাছার সময় ইংরেজি অনুবাদ নিন; আপনার বাংলা কথা থেকেই ইংরেজিতে সাবটাইটেল বেরোবে, এক-একটা লাইন তার নিজের সময়ে। তবে খেয়াল রাখবেন, “সে” বা “তিনি” শুনে কোনো পুরুষের কথা হচ্ছে না নারীর, তা ধরা পড়ে না। কাজেই ফাইল নামানোর আগে ইংরেজিতে he/she ঠিক বসেছে কিনা দেখে নেবেন।
Banglish-এ লিখব “kotha” নাকি “katha”?
দুটোই প্রচলিত। kotha উচ্চারণের কাছাকাছি, katha বানানের কাছাকাছি। Captionwale-এর বেছে নেওয়া বানান মনে না ধরলে এডিটরে বদলে দিন; আপনার দর্শক যেটা পড়ে অভ্যস্ত, সেটাই রাখুন।
ফোনে চলবে? অ্যাপটা কোথায় খুঁজব?
আলাদা অ্যাপ নেই, লাগেও না — Captionwale খোলে ফোনের ব্রাউজারে, Google Play কিংবা App Store-এ এটা মিলবে না। captionwale.com-এ গিয়ে হোম স্ক্রিনে যোগ করলেই অ্যাপের মতো ব্যবহার করা যায়। Chrome বা Edge হলে ভিডিও ফোনের ভেতরেই বানানো হয়; বাকি ব্রাউজারে ক্লিপটা চালাতে চালাতে রেকর্ড হয়, তাই যত মিনিটের ক্লিপ, প্রায় তত সময় লাগে।
YouTube-এ লাগানোর জন্য SRT ফাইল মিলবে?
পেইড প্ল্যানে মিলবে। এডিটর থেকে SRT কিংবা VTT ফাইল নামিয়ে YouTube Studio-র সাবটাইটেল অংশে আপলোড করে দিন, ব্যস।
ফোনে পড়ে থাকা যে কোনো ভিডিও দিয়েই হাতেখড়ি হোক।
ফ্রি প্ল্যানে মাসে 2 মিনিটের ট্রান্সক্রিপশন আর অগুনতি এক্সপোর্ট। কার্ডের তথ্য রাখা হয় না।
এডিটরে চলুন →